ভোলার মনপুরায় মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে সহকারি শিক্ষক ফজলে রাব্বি ও স্বাস্থ্য কর্মী ফয়সাল হাওলাদারকে পিঠিয়ে রক্তাক্ত জখম করার ঘটনায় ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী শিক্ষক ও স্বাস্থ্যকর্মীর পিতা মোঃ অহিদুর রহমান হাওলাদার।
শনিবার দুপুর সাড়ে ১১ টায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মনপুরা থানার ওসি মাজাহারুল ইসলাম।
তিনি জানান, ঘটনার তিন দিন পর আহত শিক্ষক ও স্বাস্থ্য কর্মীর পিতা মোঃ অহিদুর রহমান হাওলাদার।
মামলার আসামীরা হলেন, মনপুরা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ও রোকন মোঃ মিজান, সুমন, জুয়েল, রিয়াদ ও ফয়সাল। এদের সবার বাড়ি মনপুরা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে।
এদিকে মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী শিক্ষক ও স্বাস্থ্য কর্মীর পিতা মোঃ অহিদুর রহমান হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, মামলার আসামীরা প্রকাশ্য বাজারে চলাফেরা করে কিন্তু পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, মামলার আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নে ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা জামে মসজিদে সহকারি শিক্ষক ফজলে রাব্বি ও তার ভাই কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য কর্মী মোঃ ফয়সাল হাওলাদার ফজর নামাজ আদায় করে বসে ছিল। পরে মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে জামায়াত নেতা মিজানের নেতৃত্বে হামলা করে পিঠিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা নিয়ে যাওয়া হয় গুরুত্বর আহত শিক্ষক ও স্বাস্থ্য কর্মী দুই ভাইকে।